■ নাগরিক প্রতিবেদক ■
মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ৭টি দেশের আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে। এতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত ছয় দিনে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ২১০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি এবং ৪ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডানসহ কয়েকটি দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। এর প্রভাব পড়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও। ওই দিন থেকেই একের পর এক মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট বাতিল করতে থাকে বিভিন্ন এয়ারলাইনস।
আজ বাতিল হওয়া ৩৪টির মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, কুয়েত এয়ারওয়েজের ৪টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ১০টি, এমিরেটসের ৪টি, ইউএস–বাংলার ২টি, গালফ এয়ারের ২টি ও ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি ফ্লাইট আছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে দুবাইয়ে আটকে পড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২৭ জন ফ্লাইট ক্রুকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে ইউএস–বাংলা এয়ারলাইনস।
বিমানের ফ্লাইট ক্রুরা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কয়েক দিন অনিশ্চয়তার মধ্যে দুবাইয়ে অবস্থান করছিলেন। পরিবারের সদস্যরাও চরম উদ্বেগের মধ্যে সময় কাটাচ্ছিলেন। গতকাল বুধবার তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
এ ছাড়া দুবাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আটকে পড়া বাংলাদেশি যাত্রীদের ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করছে এই এয়ারলাইনস।
আজ একটি বিশেষ ফ্লাইট ৩৭৮ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় অবতরণ করেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামীকাল ৬ মার্চ সকালে আরেকটি ফ্লাইট পৌঁছানোর কথা আছে। ৪৩৬ আসনের এয়ারবাস ৩৩০–৩০০ এয়ারক্র্যাফট দিয়ে বিশেষ ফ্লাইটগুলো পরিচালিত হচ্ছে।
