১৪ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৪৭৫ ফ্লাইট বাতিল

■ নাগরিক প্রতিবেদন ■ 

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। যুদ্ধপরিস্থিতিতে আকাশপথ বন্ধের কারণে ঢাকা থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৭৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। 

শনিবার (১৪ মার্চ) বাতিল হয়েছে ২৪টি ফ্লাইট।
 
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি ফ্লাইট, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি এবং ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২ টি, ১১ মার্চ ২৭ টি, ১২ মার্চ ২৮ টি, ১৩ মার্চ ২৫ টি এবং ১৪ মার্চ শনিবার ২৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

শনিবারের বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে– কুয়েত ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়া (শারজাহ, ইউএই) ২টি, গালফ এয়ার (বাহরাইন) ৪টি কাতার এয়ারওয়েজ (কাতার) ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনস (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি, জাজিরা (কুয়েত) ৪টি, ফ্লাইদুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টিসহ মোট ২৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত সর্বমোট বাতিলকৃত ফ্লাইট সংখ্যা ৪৭৫।

একটি বিশেষ ফ্লাইট ৩৭৮ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় অবতরণ করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৬ মার্চ সকালে আরেকটি ফ্লাইট পৌঁছায়। ৪৩৬ আসনের এয়ারবাস ৩৩০–৩০০ এয়ারক্র্যাফট দিয়ে বিশেষ ফ্লাইটগুলো পরিচালিত হচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। 

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে অনিশ্চয়তা থাকতে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলো পুনরায় চালু করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *