বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ‘ভারতবিদ্বেষ’

■ নাগরিক প্রতিবেদক ■

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে গুম, খুন ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থাকে ব্যবহার করে চারটি অপরাধী চক্র গড়ে তুলেছিলেন তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দীকি।

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে এসব কথা বলেছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া।

ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনি এ সাক্ষ্য দেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে–১ এই জবানবন্দি নেওয়া হয়।

জবানবন্দিতে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দীকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাহিনীপ্রধানদের মধ্যে সুপার চিফ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন; ডিজিএফআই, এনএসআই, র‍্যাব, এনটিএমসি, আনসার ও বিজিবিকে তাঁর নিয়ন্ত্রণে নেন। এর মাধ্যমে চারটি চক্রের উদ্ভব ঘটে। প্রথম চক্রটি হচ্ছে অপরাধ চক্র; যেটি ডিজিএফআই, এনএসআই, র‍্যাব ও এনটিএমসিকে নিয়ে তিনি পরিচালনা করতেন। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন-পীড়ন, হত্যা ও গুমের মতো ঘটনা সংঘটিত হতে থাকে।

জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, দ্বিতীয় চক্রটি ছিল ডিপ স্টেট। এটি তিনি (তারিক আহমেদ সিদ্দীকি) পরিচালনা করতেন এমএসপিএম (Military Secretary to Prime Minister), ডিজিএফআই, এনএসআই ইত্যাদির মাধ্যমে। এর মাধ্যমে তিনি তিন বাহিনী সম্পর্কে সব নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিতেন, যা অনেক ক্ষেত্রেই বাহিনীপ্রধানদের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ছিল।

সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, তৃতীয় চক্রটি ছিল কেনাকাটা চক্র। এটিতে সংযুক্ত ছিল পিএসও, এএফডি, ডিজিডিপি, বাহিনীপ্রধান ইত্যাদি। এই চক্রের মাধ্যমে তারিক আহমেদ সিদ্দীকি বিভিন্ন কেনাকাটায় প্রভাব বিস্তার করতেন।

জেনারেল (অব.) ইকবাল বলেন, চতুর্থ চক্রটি ছিল সামরিক প্রকৌশলী চক্র। মেজর জেনারেল সিদ্দীকি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের অফিসার হওয়ায় তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সিনিয়র অফিসারদের সঙ্গে আলাদা চক্র গড়ে তোলেন। তাঁদের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন জাতীয় প্রকল্পে তাঁর প্রভাব বিস্তার করা শুরু করেন। এটি ছিল অবৈধ অর্থের প্রধান উৎস।

র‍্যাব প্রসঙ্গে ইকবাল করিম জানান, সেনাপ্রধান হওয়ার পরপরই তিনি র‍্যাবের এডিজি তৎকালীন কর্নেল (পরে লে. জেনারেল) মুজিবকে তাঁর অফিসে ডেকে পাঠান। তিনি তাঁকে ক্রসফায়ার বন্ধ করতে বলেন। সেনাপ্রধান তাঁকে র‍্যাব ইন্টেলিজেন্সের প্রধান লে. কর্নেল জিয়াউল আহসানকে নিয়ন্ত্রণ করতে বলেন। সে সময় মুজিব কথা দেন আর এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না। পরে কিছুদিন পত্রিকাতে ক্রসফায়ারের ঘটনা আসেনি। কিন্তু অচিরেই সেনাপ্রধান উপলব্ধি করতে পারেন, ঘটনা ঘটছে, কিন্তু তা চাপা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি আরও বদলে যায়, যখন বেনজীর আহমেদ র‍্যাবের ডিজি এবং জিয়াউল আহসান এডিজি হন।

সেনাপ্রধান তাঁর ডাইরেক্টর মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জগলুল আহসান ও কমান্ডিং অফিসার (আর্মি সিকিউরিটি ইউনিটের) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফজলকে (যিনি বর্তমানে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আছেন) জিয়াউল আহসানের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। জগলুল আহসান সেনাপ্রধানকে জানান, তিনি কথা বলেছেন, কিন্তু কোনো প্রতিশ্রুতি তাঁর কাছ থেকে পাননি। আর ফজল জানান, কথা বলে কোনো লাভ হয়নি। জিয়াউল আহসানের মাথা ইট ও পাথরের টুকরো দিয়ে ঠাসা।

জিয়াউল আহসান সম্পর্কে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, তারিক আহমেদ সিদ্দীকি ও তাঁর কোর্সমেট এএমএসপিএম কর্নেল মাহবুবের (বর্তমানে মেজর জেনারেল) ছত্রচ্ছায়ায় তিনি সেনাপ্রধানের আদেশ অমান্য করতে শুরু করেন। দুজন অফিসারের বিভিন্ন নেতিবাচক রিপোর্টের কারণে শাস্তি হিসেবে র‍্যাব থেকে সেনাবাহিনীতে ফেরত আনার জন্য পোস্টিং আদেশ জারি করার পরও তিনি তাঁদের ফিরিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান। সেনাপ্রধান জিয়াউল আহসানকে সেনানিবাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেন। তবে এমএসপিএম মেজর জেনারেল মিয়া জয়নুল আবেদিন সেনাপ্রধানকে ফোন করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জিয়াউল আহসানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য। দুদিন পর সংঘাত এড়ানোর জন্য তিনি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন।

সাবেক সেনাপ্রধান জানান, তাঁকে যে জিনিসটা সবচেয়ে ব্যথিত করত, তা হলো, সেনাবাহিনী থেকে র‍্যাবে পেশাদার অফিসার পাঠানো হলে তাঁরা পেশাদার খুনি হয়ে ফিরে আসতেন। যাঁরা ফিরে আসতেন, তাঁদের কাছে বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা শুনে তিনি সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে সেনাবাহিনীর র‍্যাবে থাকা সদস্যদের ফেরত আনার জন্য আবেদন করেন। তখন প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেন—র‍্যাব রক্ষীবাহিনীর চেয়েও খারাপ। তবে প্রধানমন্ত্রী কোনো কথা দেননি এবং পরে এ নিয়ে আর কোনো পদক্ষেপ নেননি।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ নামের অভিযানে যারা সম্পৃক্ত ছিলেন, তাদের দায়মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘হত্যার লাইসেন্স’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া।

আইকেবি নামে পরিচিত ইকবাল করিম ভূঁইয়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০১২ সালের ২৫ জুন থেকে ২০১৫ সালের ২৫ জুন পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

সাক্ষ্যে তিনি বলেন, “সেনাবাহিনীতে খুনের সংস্কৃতি আগে থেকেই ছিল; গুমের সংস্কৃতি পরবর্তীতে গড়ে উঠেছে। আমরা যদি ধরে নিই যে, ২০০৮ সাল থেকে খুন শুরু হয়েছে—তবে সেটা ভুল বলা হবে।

“প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার পর থেকেই খুনের সংস্কৃতি শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনীকে বিভিন্ন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সেনানিবাসের বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে। সে সময় কথিত অপরাধীদের ধরে সেনাক্যাম্পে এনে জিজ্ঞাসাবাদের সময় নির্যাতন করা হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে কিছু ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।”

তবে ওই সংখ্যা ‘সীমিত’ ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, পরে তদন্ত আদালতের মাধ্যমে এবং আইন প্রয়োগ করে সেগুলোকে ‘নিয়মিত’ করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযান চলাকালে যেসব মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে যেগুলো কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে, সেগুলোকে ধর্তব্যে নিয়ে দোষী ব্যক্তিদেরকে ‘যথাযথ শাস্তি দেওয়া হয়েছে’ বলে দাবি করেন সাবেক এই জেনারেল।

তিনি বলেন, “প্রশিক্ষণকালে সেনা সদস্যদের ‘ডিহিউম্যানাইজ’ করা হয়, যাতে তারা ধীরে ধীরে মানুষকে মানুষ মনে করা ভুলে যায়, মানুষকে টার্গেট বলতে শুরু করে। ফায়ারিং রেঞ্জে মানুষ আকৃতির টার্গেটের উপর গুলি করে তাদের মানুষ হত্যার মনস্তাত্বিক বাধা দূর করা হয়। এ কথা মনে রেখে সেনাবাহিনীকে কখনো বেসামরিক পুলিশের সাথে মেশানো ঠিক হয়নি।

“অথচ সেটাই ঘটেছে ২০০৩ সালে, যখন র‌্যাব গঠন করা হয়। এটি ছিল একটি মারাত্মক ও ভয়াবহ সিদ্ধান্ত। সেনা সদস্যদের যে প্রশিক্ষণ তা র‌্যাবে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ছিল না। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ে কিছু বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়েছে। র‌্যাব গঠনের আগে অপারেশন ক্লিন হার্টে অনেক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।”

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ নামে যৌথ বাহিনীর ওই অভিযান চলে।

ওই অভিযানের কার্যক্রমকে দায়মুক্তি দিয়ে ২০০৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘যৌথ অভিযান দায়মুক্তি আইন, ২০০৩’ করা হয়। এর এক যুগ পর এক রিট মামলার রায়ে হাই কোর্ট ওই দায়মুক্তি আইনকে ‘সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল’ ঘোষণা করে।

আইকেবি বলেন, “সেনাসূত্র অনুযায়ী ১২ জন হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে এই সংখ্যাটি ছিল ৬০ জন। পরবর্তীতে ক্লিন হার্টের সকল সদস্যকে ইনডেমনিটি দেওয়া হয়। বস্তুত এই ইনডেমনিটি ছিল হত্যার লাইসেন্স প্রদান।”

২০০৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সময়ে ডিজিএফআই ‘দেশের মুখ্য নিয়ন্ত্রক’ হয়ে ওঠে মন্তব্য করে আইকেবি বলেন, বিভিন্ন সময়ে তারা বিভিন্ন ব্যক্তিদের উঠিয়ে এনে তাদের সেলে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করত। এর মধ্যে অনেক মন্ত্রী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলেন।

“তারা বিএনপির জনাব তারেক রহমানকেও উঠিয়ে এনে নির্যাতন করে। ওই সময় থেকে বস্তুত বেসামরিক ব্যক্তিদের উঠিয়ে এনে আটক রাখার, সেলের মধ্যে রাখা একটি অভ্যাসে পরিণত হয়। বস্তুত যে কোনো ব্যক্তিকে উঠিয়ে এনে যা ইচ্ছা তাই করা যায় মর্মে তারা ভাবতে শুরু করে। তারা ভাবতে শুরু করে যা কিছুই তারা করুক না কেন, শেষ পর্যন্ত তারা পার পেয়ে যাবে।”

২০০৭ সালে নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রধান বিচারপতির বয়স বাড়ানোর জন্য যে সংঘাত শুরু হয়, তার পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।

ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, “জরুরি অবস্থা চলাকালে সেনাসদস্যদের সংস্কৃতিতে কিছু পরিবর্তন আসে। তারা রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করে, তাদের মধ্যে আধিপত্যবোধের জন্ম হয়, সিনিয়র ও জুনিয়রের মধ্যে একটি বিভাজন সৃষ্টি হয়, নগদ সংস্কৃতির উত্থান হয় এবং উপরস্থদের আদেশ অন্ধভাবে পালন করার প্রবণতা জন্ম হয়।”

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ ধরে তিনি বলেন, ওই ঘটনায় ৫৭ জন সামরিক কর্মকর্তা এবং ১৭ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। বিদ্রোহ দমন করার পর বিডিআর সদস্যদের অন্তরীণ করা হয় এবং সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।

সেই জিজ্ঞাসাবাদের সময় পিলখানায় (বিডিআর সদর দপ্তর) র‌্যাব ও সামরিক সদস্যদের ‘নির্যাতনে’ আনুমানিক ৫০ জন বিডিআর সদস্যের মৃত্যু হয় বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ধারণা দেয়। পরে আদালত পিলখানা হত্যা মামলার রায়ে ১৫২ জন বিডিআর সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়।

ইকবাল করিম ভূঁইয়া মনে করেন, বিডিআর বিদ্রোহের পর সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ‘ভারত ও আওয়ামী লীগ বিদ্বেষ’ তীব্রতর হয়, ‘সিনিয়র ও জুনিয়র অফিসারদের মধ্যে বিভাজন’ ব্যাপক রূপ ধারণ করে, পেশাদার অফিসারদের একপাশে সরিয়ে অনুগত অফিসারদের উপরে নিয়ে আসা হয় এবং বিভিন্ন জাতীয় প্রকল্পে সেনাবাহিনীকে নিয়োজিত করে বাহিনীটিকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ করা হয়।

“এর বড় কারণ হল, শেখ হাসিনা ভাবতেন, একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সেনাবাহিনী তার জন্য নিরাপদ।”

সাক্ষ্যে তিনি বলেন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের শাসন আমলের ‘দুর্বল’ দিকগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে শেখ হাসিনা ২০০৯ সালের পর দেশ ও প্রশাসনের উপরে তার ‘নিরঙ্কুশ আধিপত্য’ বিস্তার করতে শুরু করেন।

“এজন্য তিনি সংবিধান সংশোধন করে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অনেক রাজনৈতিক নেতার বিচার করে মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করেন এবং সংবিধান লংঘনের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান সংবিধানে সংযোজন করেন।”

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *