■ নাগরিক প্রতিবেদক ■
আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সারা দেশে শুরু হবে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। ৫ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই সূচি প্রকাশ করা হয়।
বুধবার (২৫ মার্চ) জাতীয় শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, দেশের তিন পার্বত্য জেলা (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) ব্যতীত অন্যান্য সব জেলায় পরীক্ষা শুরু হবে ১৫ এপ্রিল।
প্রথম দিন বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ইংরেজি, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্রাথমিক গণিত এবং শনিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হয়ে আড়াই ঘণ্টা চলবে।
অন্যদিকে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার জন্য ভিন্ন সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ১৭ এপ্রিল শুক্রবার প্রাথমিক গণিত পরীক্ষার মাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ১৮ এপ্রিল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা। এরপর ১৯ এপ্রিল রোববার বাংলা এবং ২০ এপ্রিল সোমবার ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলায় পরীক্ষা শেষ হবে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
সারা দেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগে দেওয়া সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গঠিত কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী ঈদুল ফিতর ২০২৬-এর ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং বছরব্যাপী এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, বিষয়টি অতীব জরুরি। এমতাবস্থায়, আপনার অধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিম্নোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো—
ক) ঈদুল ফিতর ২০২৬-এর ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। খ) প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নিয়মিত তদারকি জোরদার করতে হবে। গ) প্রতি সপ্তাহে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ঘ) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাগান পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। ঙ) শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
