𓂃✍︎ নাগরিক প্রতিবেদন 𓂃✍︎
দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ হাজার ৯৫১টি প্রতিষ্ঠান প্রধান শূন্য পদের বিপরীতে ৫৩ হাজার ৬৯টি আবেদন জমা পড়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আগামী ১৮ এপ্রিল ৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে ১১ হাজার ১৫১টি এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে ৭ হাজার ৯০৮টি, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠান থেকে ১১২টি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ হাজার ১৩১টি আবেদন জমা পড়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৫ মার্চ ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬ (সংশোধিত)’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। এই বিজ্ঞপ্তির আলোকেই ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৩৫১ জন এবং নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৫ হাজার ৭১৮ জন। পরীক্ষা গ্রহণের পরবর্তী প্রক্রিয়া সক্রিয়ভাবে চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ ছাড়া দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকস্বল্পতা রোধে প্রতিবছর দু’টি করে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান।
এনটিআরসিএ জানিয়েছেম, প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১৮ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় পরীক্ষাভিত্তিক পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে সংস্থাটি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডের রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ারে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।
এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সার্বিক প্রস্তুতি, পরীক্ষা পদ্ধতি এবং ১২ হাজার ৯৫১টি শূন্যপদের নিয়োগ কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরতে আগামী ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মোট ২২টি পদের জন্য পৃথক প্রশ্নপত্রে এই নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হবে। প্রতিটি পদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে প্রার্থীদের যোগ্যতা নির্ভুলভাবে মূল্যায়ন করা যায়। পরীক্ষাটি চারটি পৃথক ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সকালে দুটি এবং বিকেলে দুটি শিফটে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
প্রার্থীদের ১ ঘণ্টার এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে, যেখানে মোট ৮০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য ০ দশমিক ২৫ নম্বর কাটা হবে। এমসিকিউতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। মোট নম্বর ১০০ এবং পাস নম্বর ৪০ শতাংশ।
পরীক্ষার বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, সাধারণ জ্ঞান, মানসিক দক্ষতা, প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা। এছাড়া সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরভেদে কারিগরি, সাধারণ ও মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
