পাঁচ বছরে পৌনে ৩ কোটি ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়া হবে

𓂃✍︎  নাগরিক প্রতিবেদক 𓂃✍︎

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, তার সরকার প্রথম পর্যায়ে প্রায় ২২ হাজার কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ পৌঁছে দিচ্ছে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমিকভাবে আরো ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে দেশে প্রথমবারের মতো ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এ তথ্য জানান তিনি।

এর আগে ডিজিটাল মাধ্যমে তিনি এই ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি সরকার। নির্বাচনের আগে আমরা দেশের মানুষের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তার মধ্যে এই কৃষক কার্ডের প্রতিশ্রুতিও ছিল। এর বাইরেও আমরা কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার কমিটমেন্ট দিয়েছিলাম। আল্লাহর রহমতে আমরা সেই কাজটি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। যার মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ কৃষক এই সুবিধাটি পেয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেশের আটটি জেলার ১১টি উপজেলায় পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে প্রথম পর্যায়ে প্রায় ২২ হাজার কৃষকের মাঝে এই কৃষক কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছি। ইনশাআল্লাহ আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমিকভাবে আরো ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে আমরা এই কৃষক কার্ড পৌঁছে দেবো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সাথে জড়িত। আমাদের দেশের প্রত্যেকটি পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ এই দেশের প্রধান পেশাই হচ্ছে কৃষি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিশ্বাস করে এই দেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, দেশের কৃষক যদি বেঁচে থাকে, দেশের কৃষক যদি ভালো থাকে, তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে, বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আপনাদের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে কৃষককে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলা, কৃষককে সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সেজন্যই এই কৃষক কার্ড আমরা দিয়েছি। এই কার্ডের মাধ্যমে আমরা কৃষককে সরাসরি ১০টি সুবিধা পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করব। এই ১০টি সুবিধার মাধ্যমে কৃষক তার অবস্থা অনেক ক্ষেত্রেই পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।’

খাল খনন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার গঠনের পর আমরা সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। আমাদের লক্ষ্য রয়েছে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল আমরা খনন করব ইনশাআল্লাহ। যার মাধ্যমে কৃষকদের কৃষি জমির জন্য পানির সমস্যা দূর হবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘এই বাংলাদেশে একমাত্র বিএনপি সরকার যতবার দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, বিএনপি সরকারই চেষ্টা করেছে কৃষক ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। আপনারা গত নির্বাচনের বিএনপির ওপরে আস্থা রেখেছেন, ইনশাআল্লাহ এই সরকার আপনাদের আস্থার পূর্ণ মর্যাদা দিবে। এখন আমাদের দেশ গড়ার সময়। কৃষক ভাইদের পাশে আমরা যেরকম দাঁড়াবো, একই সাথে আমরা আমাদের মা-বোনদের জন্য, পরিবারের নারীপ্রধানদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করব। পর্যায়ক্রমিকভাবে আগামী পাঁচ বছরের ভিতরে আমরা বাংলাদেশের সকল নারীপ্রধান পরিবারের কাছে এই কার্ডটি পৌঁছে দেয়ার জন্য চেষ্টা করব।’

সবাইকে দেশ গঠনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সরকার জনগণের সরকার। এই সরকার দল শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে প্রত্যেকটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের উন্নয়ন, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। সেজন্য আমরা বলে থাকি— করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে সামনের দিকে বাড়তে চাই, দেশ গঠন করতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী বেলা ১১টা ২২ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। মঞ্চে উঠেই তিনি দু’হাত নেড়ে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টাঙ্গাইলে এটিই তার প্রথম সফর। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কুরআন তেলাওয়াত, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। প্রথমেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ।

এতে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর কৃষিবিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এবং টাঙ্গাইল সদর আসনের এমপি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এছাড়া ছিলেন জাতিসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি মি. জিয়াওকুন শী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১৫ জন কৃষক ও কৃষাণীর হাতে ‘কৃষক কার্ড’ ও গাছের চারা তুলে দেন।

তারেক রহমান ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণ শেষে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত কৃষিমেলার উদ্বোধন করেন। পরে সার্কিট হাউজে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন তিনি। বিকেলে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত শেষে ঢাকায় ফেরার উদ্দেশে রওয়ানা দেন প্রধানমন্ত্রী।

কৃষকদেরকে ‘ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড় কৃষক’ – এই পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করে কার্ড দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

এর মধ্যে পাঁচ শতকের কম জমি রয়েছে যাদের, তাদেরকে ফেলা হচ্ছে ভূমিহীন ক্যাটাগরিতে।

পাঁচ থেকে ৪৯ শতক জমির মালিক যেসব কৃষক, তারা পড়ছেন প্রান্তিক শ্রেণিতে।

এর বাইরে, কৃষকদের মধ্যে যারা ৫০ থেকে ২৪৯ শতক জমির মালিক, তারা ক্ষুদ্র এবং যারা ২৫০ থেকে ৭৪৯ শতকের মালিক, তারা মাঝারি কৃষকের শ্রেণিতে পড়ছেন।

অন্যদিকে, যাদের জমির পরিমাণ ৭৫০ শতকের বেশি, তাদেরকে বড় কৃষক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার প্রাথমিকভাবে দেশের ১০টি জেলায় ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের মধ্যে কার্ড বিতরণ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার।

তাদের মধ্যে দুই হাজার ২৪৬ জনই ভূমিহীন বলে রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

বাকিদের মধ্যে প্রায় নয় হাজার ৪৫৮ জন প্রান্তিক কৃষক, আট হাজার ৯৬৭ জন ক্ষুদ্র কৃষক, এক হাজার ৩০৩ জন মাঝারি কৃষক এবং ৯১ জন বড় কৃষক রয়েছেন বলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পহেলা বৈশাখ যে ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের মধ্যে কার্ড বিতরণ শুরু হচ্ছে, তাদের বেশিরভাগই ভূমিচাষী বলে জানা যাচ্ছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, কার্ড পেতে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের সংখ্যা ২১ হাজার ১৪১ জন।

তবে সংখ্যায় অংল্প হলেও কার্ডধারীদের তালিকায় মৎস্যজীবী, প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারি এবং লবণচাষীদেরও নাম রয়েছে।

এর মধ্যে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন এবং দুগ্ধ খামারির সংখ্যা প্রায় ৮৫৫ জন।

এছাড়া কার্ড পেতে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৬ জন মৎস্যজীবী এবং তিন জন লবণ চাষী রয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচিকে তিনটি ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে সরকার।

এর মধ্যে এখন চলছে প্রি-পাইলটিং বা প্রাক- পরীক্ষামূলক ধাপ।

এর আওতায় দরিদ্র কৃষকের সংখ্যা বেশি এমন ১০টি জেলার ১১টি উপজেলা অন্তর্ভূক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

জনপ্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষক নেতারা সমন্বয় করে এলাকাগুলোতে কৃষকদের তালিকা হালনাগাদ করেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।

প্রি-পাইলটিং ধাপে ২২ হাজার কৃষকের মধ্যে কার্ড বিতরণ করা হবে। এই ধাপের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আগামী অগাস্ট মাসের মধ্যে শুরু হবে পাইলট বা পরীক্ষামূলক কার্যক্রম।

কৃষকদের মধ্যে যে উদ্দেশ্যে কার্ড বিতরণ করা হয়েছে, সেটি ঠিকমত কাজ করছে কি-না তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

“পাইলাটিংয়ের অভিজ্ঞতার আলোকে (তৃতীয় ধাপে) আগামী চার বছরে সারা দেশে এই কার্ড বিতরণ ও ডাটাবেজ তৈরির কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে,” বলেন কৃষিমন্ত্রী মি. রশিদ।

মঙ্গলবার বাংলা নববর্ষের প্রথমদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে কার্ড তুলে দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

অন্য জেলাগুলোর কৃষি ব্লকের মধ্যে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লক, পঞ্চগড় সদর উপজেলার কমলাপুর ও বোদা উপজেলার পাঁচপীর ব্লক, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ি ব্লক এবং কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া ব্লকে কার্ড বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

এছাড়া রাজবাড়ির গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপচা ব্লক, মৌলভিবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ব্লক এবং জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ব্লকেও ১৪ই এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে এদিন কার্ড দেওয়া হবে না কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার অরণ্যপুর ব্লকে। এলাকাটিতে আগামী ১৭ই এপ্রিল কৃষক কার্ড দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

সাধারণ কৃষকদের তুলনায় কার্ডধারী কৃষকরা বাড়তি কিছু সুবিধা পাবেন বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ প্রদানের সুবিধা, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রাপ্তি।

এছাড়া মোবাইল ফোনে সহজে বাজারের তথ্য ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস, ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও কৃষি বিমা সুবিধার পাওয়া যাবে।

সেইসঙ্গে, সরকারের কাছে ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের পাশাপাশি কৃষিতে সরকারি বিভিন্ন ভর্তুকি ও প্রণোদনার অর্থও কৃষকের জন্য পাওয়া সহজ হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী।

“কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা (সরকারি) প্রণোদনা ও সেবা নেবেন, সংশ্লিষ্ট ডিলারের সরবরাহ করা মেশিন ব্যবহার করে সার, বীজ, মৎস্য বা প্রাণিখাদ্যসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে পারবেন,” বলেন কৃষিমন্ত্রী মি. রশিদ।

এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বীজ বা সারের ব্যবসায়ী বা ডিলারের কাছে ডিজিটাল পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন রাখার ব্যবস্থা করবে সরকার, যাতে কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজেই লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন।

কার্ডের মাধ্যমে কৃষককে বছরে অন্তত আড়াই হাজার নগদ টাকা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

তবে কার্ডধারীদের সবাই এই সুবিধা পাবেন না।

কেবল ভূমিহীন, প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র কৃষকরা এই সুবিধার আওতাধীন হবেন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী।

প্রাথমিকভাবে যে ২২ হাজার কৃষকের মধ্যে কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে, তাদের মধ্যে ২০ হাজার ৬৭১ জনই ভূমিহীন, প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র কৃষক।

ফলে তারা সবাই প্রতিবছর ওই টাকা পাবেন।

কর্মকর্তারা বলছেন, সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় পর্যায়ের শাখায় এসব কৃষকদের কার্ডের বিপরীতে একটি করে ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে।

ওই অ্যাকাউন্টে প্রতিবছর টাকা পাঠানো হবে। ফলে কার্ডটি আদতে একটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে ব্যবহার হবে।

কৃষকদের এই অর্থ সহায়তাসহ সব মিলিয় প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ব্যয় করার জন্য প্রায় আট কোটি ৩৪ লাখ টাকা বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *