✍︎ নাগরিক নিউজ ডেস্ক ✍︎
দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে জোহানেসবার্গের বারাকওয়ানে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আবু নাসের শামীম (বারা শামীম)। তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল রশিদের ছেলে। বাড়িতে তার স্ত্রী ও চার ছেলে রয়েছে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় প্রবাসী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফোর্ডসবার্গ থেকে বাজার করে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছান শামীম। এ সময় আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা এক ব্যক্তি তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ৫ রাউন্ড গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কিছু দিন আগে একটি বড় দোকান বিক্রি নিয়ে তার বাবার সঙ্গে নোয়াখালীর এক ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরোধ সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন,
নিহতের বড় ছেলে আবু রাফসান পিয়াস বলেন, “সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে আবারও মনোমালিন্য দেখা দেয়। পরবর্তীতে বাবা নিরাপত্তার জন্য দোকানে বুলেটপ্রুফ গ্লাস স্থাপন এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দেন। ঘটনার দিন বিকেলে তিনি দোকানের সামনে নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় তাকে উদ্দেশ্য করে ৬-৭ রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা।”
দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল আউয়াল তানসেন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ফোর্ডসবার্গ থেকে বাজার করে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছান শামীম। এ সময় আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসীরা তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ৫ রাউন্ড গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বড় ছেলে আবু রাফসান পিয়াস জানান, তার বাবা আবু নাসের শামীম ২০০৭ সালে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। চার বছর আগে দেশে এসে পুনরায় সেখানে ফিরে গিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে তার ৪-৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। কিছু দিন আগে একটি বড় দোকান বিক্রি নিয়ে তার বাবার সঙ্গে এক ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরোধ সৃষ্টি হয়। সে সূত্রে বা অন্য কোনো কারনে তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে কিনা নিশ্চিত নন।
এসময় তিনি নিহতের মরদেহ দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
এর দুই দিন আগে, অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল রাতে জোহানেসবার্গের পামরিজ এলাকায় ডাকাতের গুলিতে নিহত হন জামাল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার কাশিপুর গ্রামে।
