✍︎ নাগরিক প্রতিবেদক ✍︎
শুক্রবার (১ মে) ভোর থেকে রাজধানী ঢাকাজুড়ে টানা ভারী বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন সড়কে পানি জমেছে। ভোর ৫টার কিছু পর থেকে সকাল ৭টার আগে পর্যন্ত অঝোরে বৃষ্টি হয়।
বৃষ্টিতে গ্রিনরোড, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ, রবীন্দ্র সরোবর-সংলগ্ন সড়ক, জিগাতলা, মিরপুর ১০, কালশী, কাজীপাড়া, মালিবাগ রেলগেট, মৌচাক, মগবাজার, বাসাবো এবং হাতিরঝিলের মধুবাগ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় পানি জমেছে।
ছুটির দিন হওয়ায় সকালে যানবাহন তুলনামূলক কম ছিল, তাই দুর্ভোগ কিছুটা সীমিত ছিল। তবু সকাল ৮টার পরও অনেক সড়কে পানি আটকে থাকতে দেখা গেছে।
সারা দেশে কালবৈশাখী ঝড় এবং ছয় বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পৃথক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানায়।
ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত থাকায় শনিবার (২ মে) দুপুরের মধ্যে ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। ফলে কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বস হতে পারে।
এ ছাড়া কালবৈশাখী ঝড়ের সতর্কবার্তায় বলা হয়, একই সময়ের মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বা তার অধিক বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে বজ্রপাত ও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়ার আরেক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য অব্যাহত রয়েছে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মুখপাত্র রাসেল রহমান বলেন, বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট অস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে ভোর থেকে নিরলসভাবে কাজ করছে।
