ঢাবির নতুন প্রক্টর ইসরাফিল রতন

✍︎ ঢাবি প্রতিনিধি ✍︎

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নতুন প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চারুকলা অনুষদের গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং (ইসরাফিল রতন)। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

রোববার (১০ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আপনাকে ১০ মে থেকে প্রচলিত শর্তে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন। এজন্য আপনি বিধি মোতাবেক ভাতা ও সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে যে কোনো সময়ে এ নিয়োগ বাতিল করা যাবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যালেন্ডার পার্ট-২ (১৯৯৭)-এর ১১ অধ্যায়ে (পৃষ্ঠা নং-৩৭-৪০) প্রক্টর-এর দায়িত্ব ও কর্ম পদ্ধতি বিষয়ক বিধি বিধানের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অনুগ্রহপূর্বক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরের দায়িত্বভার গ্রহণ করে আপনার যোগদানপত্র অত্র অফিসে প্রেরণ করতে আপনাকে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

এর আগে রোববার দুপুরে ঢাবির সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ পদত্যাগ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দীনের পদত্যাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টরের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ।

রোববার (১০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সাইফুদ্দীন আহমদ জানান, ব্যক্তিগত কারণে তিনি প্রক্টরের দায়িত্ব থেকে থাকতে চান। ইতোমধ্যে উপাচার্য বরাবর পদত্যাগ পাঠিয়েছেন তিনি। গত ২০ মাস দায়িত্বে ছিলাম, এখন সবকিছু একটা ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় এসেছে। তাই এখন আমি একজন নিজের বিভাগ ও পরিবারকে সময় দিতে চাচ্ছি। আমি যখন ডিপার্টমেন্টে যাই মনে হয় যেন আমি গেস্ট ডিপার্টমেন্টে। আমি তাদের সময় দিতে পারছি না।

উপাচার্যের কাছে দেওয়া পদত্যাগপত্রে ইংরেজিতে তিনি লিখেছেন, ব্যক্তিগত কারণেত আমি প্রক্টর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার একাডেমিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আমি প্রতিষ্ঠানটির পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করব।

তিনি আরও লিখেছেন, দায়িত্ব পালনকালে যারা আমাকে সহযোগিতা করেছেন- সহকারী প্রক্টর, দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সহকর্মী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক, ঢাবি অ্যালামনাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভানুধ্যায়ী এবং সর্বোপরি প্রিয় শিক্ষার্থীদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

প্রক্টরের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রক্টরের বিষয়ে শিগগিরই আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *