✍︎ নাগরিক প্রতিবেদক ✍︎
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ব্যাংকখেকো ড. আবুল বারাকাতের হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। আর কোনো মামলা না থাকায় আপাতত তার মুক্তিতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।
একই সঙ্গে আবুল বারাকাতকে নিম্ন আদালতে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাকে জামিন দেন। সেই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি এননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের নামে মামলা করে দুদক। সংস্থাটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ও আবুল বারকাত পরস্পর যোগসাজশে জালজালিয়াতির মাধ্যমে এননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানকে এই টাকা ঋণ দিয়েছিলেন। আতিউর রহমান, তাঁর সহযোগী অন্য ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনৈতিক কৌশলে এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
দুদকের দাবি, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ও আবুল বারকাত পরস্পর যোগসাজশে জালজালিয়াতির মাধ্যমে এননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানকে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলেন। আতিউর রহমান ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন অনৈতিক কৌশলে এ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক মো. নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এরপর গত বছরের ১০ জুলাই এ মামলায় তাকে গ্রেফতার করে ডিবি।
আবুল বারকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ছিলেন।
