সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন: প্রথম ধাপে ভোট ১২ নভেম্বর

✍︎ নাগরিক প্রতিবেদন ✍︎

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সারাদেশে মোট সাতটি ধাপে এই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

এই নির্বাচন কমিশনার জানান, প্রথম ধাপের নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল ও সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে।

আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, দেশের মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদে ৭টি ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট।

প্রথম ধাপের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রথম ধাপে দেশের ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের এই দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে। এই সিদ্ধান্তগুলো কমিশন প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করেছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও সার্বজনীন করতে সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবে নির্বাচন কমিশন। কমিশন বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরো কার্যক্রমের তৃতীয় ধাপে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে এই ধারাবাহিক সংলাপে বসবে ইসি।

এর আগে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি। সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করবে কমিশন।

তিনি বলেন, আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে। পর্যায়ক্রমে কয়েকটি ধাপে সারা দেশে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনের আইনি কাঠামো নিয়েও কথা বলেন এ নির্বাচন কমিশনার। আইন সংশোধন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনে নতুন কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না এলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই নির্বাচন পরিচালনা করবে কমিশন।’

আবদুর রহমানেল মাছউদ জানান, এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ে ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে কোনো আইনি বা কার্যগত জটিলতা থাকবে না।

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *