দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি

✍︎ নাগরিক প্রতিবেদন ✍︎

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি থাকবে। ছুটির কারনে আগের শনিবার (১৭ অক্টোবর) অফিস খোলা থাকবে।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে আগেই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরদিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি। এখন ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবারও নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। তাই দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি থাকবে। আর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ২২ অক্টোবরের ছুটি অনুমোদন হওয়ায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকবে।

এ ছুটি সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

এই ছুটির ক্ষেত্রে জরুরি পরিষেবা এর আওতাবহির্ভূত থাকে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা রয়েছেন।

এ ছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি সেবা, চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও কর্মী এবং জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।

এ ধরনের ছুটিতে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়। আর আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

দুর্গাপূজার বিপণিবিতান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

দুর্গাপূজার বেচাকেনার জন্য দোকানপাট, শপিং মল ও বিপণিবিতান রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আজ সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এক নির্দেশনায় এমনটাই জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট, শপিং মল ও বিপণিবিতান খোলা থাকবে। ২৩ অক্টোবর থেকে দোকানপাট, শপিং মল ও বিপণিবিতান খোলা রাখার সময়সীমা আবার আগের নিয়মে ফিরবে। অর্থাৎ বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বেচাকেনা করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা।

৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি

মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’–এ সাধারণ ছুটি রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হবে।

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *