✍︎ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ✍︎
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা জহির ফকিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া এলাকার মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি একই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন।
বুধবার রাত ১০টার দিকে চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র দল জহির ফকিরের ওপর হঠাৎ হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে রেখে যায়।পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক জানান যে তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত নেতার পরিবারের দাবি, আসন্ন কমিটিতে প্রার্থী হিসেবে জোরালো আলোচনায় থাকায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।স্বজনরা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
নিহতের স্বজন ইসমাইল হোসেন বলেন, কালাপাহাড়িয়া এলাকার মোবারক হোসেন ও তার লোকজন আমার মামাকে হত্যা করেছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আমার মামা নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিল। মোবারক হোসেনও চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দেয়। এ কারণে প্রথম থেকে আমার মামাকে মোবারক হোসেন হুমকি দিয়ে আসছে। আজ তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হলো।
আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব খোরশেদ আলম এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, জহির আমাদের দলের একজন ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তার বাসা কালাপাহাড়িয়া এলাকায় হলেও তিনি মূলত মুন্সিগঞ্জে বসবাস করতেন। হঠাৎ খবর পেলাম ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ছেলেটা প্রায়ই বলত যে তাকে মেরে ফেলা হতে পারে, তবে কার সঙ্গে তার প্রধান বিরোধ ছিল তা আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি।
সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, খবর পাওয়ার পরপরই আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছি। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
