✍︎ নাগরিক প্রতিবেদন ✍︎
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করেছেন মাত্র ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, ৫৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ-ইনস্টিটিউটে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির জন্য মোট আসন ১০ লাখ ৮২ হাজার ২৮৮টি। অর্থাৎ, আসন খালি থাকবে ৪ লাখ ৩৫ হাজার ৬০৩টি আসন। এর মধ্যে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬৬৫টি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ হাজার ১২৫, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ হাজার ৯৫৬, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৩৪, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ হাজার ৩৩, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৮৪৮, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ৫১৫, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ৯৫৭, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৭০, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১৭৫, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১০৯, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৩৯৫, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৫৭০, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৫০, নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৯০, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২৬, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬০টি আসন রয়েছে।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে ১ হাজার ৮০০, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭৫টি।
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫১০, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৫, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯০, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযোগ্য ৮৪টি আসন।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৬ ৩৬, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ১০০, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৭৫, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৫০, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৩১, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ২৩৫, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১০৫, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৮০, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৬১১, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৩০, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৩০, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৫৮০, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯০, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০৪, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯০, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭২, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬০টি আসন।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৩০, বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজিতে ২২০, এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২০ আসন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ৪২ হাজার ৪৩৪, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ১১ হাজার ২৯০টি আসন রয়েছে।
এর বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ১ হাজার ৫৮৬, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ১ হাজার ৭৮৪, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ৪২০, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ১৮০, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ১৮৬, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ২ হাজার ৯০, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ১ হাজার ৪৪০, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ১১ হাজার ৫৫, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ৩ হাজার ৯০৫, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ৫ হাজার ৯৭১, খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/ইনস্টিটিউটে ১ হাজার ৪৮৬টি আসনসহ মোট ১০ লাখ ১৮ হাজার ৬৩২টি ভর্তিযোগ্য আসন আছে।
সরকারি মেডিকেল কলেজে আসন রয়েছে ৫ হাজার ১০০টি, বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৬ হাজার ২৭৮টি, সরকারি ডেন্টাল কলেজে ৫৪৫টি, বেসরকারি ডেন্টালে ১ হাজার ৩৫০টি, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজে ৩৫০টি, ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক কোর্সে ৪ লাখ ১০ হাজার, পাস কোর্সে ১ হাজার ১৬০টি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান), স্নাতক কারিগরি/সমমান পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি কলেজে ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫টি, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন মাদ্রাসায় ১১ হাজার ৫৫টি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪২ হাজার ৪৩৪টি, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ৭২০টি, টেক্সটাইল কলেজে ৭২০টি, মেরিন কলেজে ৬৬০টি, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে ৩ হাজার ৭৯০টি, আন্তর্জাতিক বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০০টি, নার্সিং ও মিডওয়াইফারিতে ৫ হাজার ৬০০টি আসন রয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে আসন রয়েছে ৪ লাখ ১০ হাজার।
এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের এক বছর অপেক্ষা না করিয়ে দ্রুত অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যে এ পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
