■ নাগরিক প্রতিবেদন ■
বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আলী হোসেন ফকির। তিনি পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়।
মো. আলী হোসেন ফকির (বিপি-৬৮৯৫১০৩৪৩৯) বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৯৫ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে তিনি পুলিশে যোগ দেন। তার জন্ম ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল, বাগেরহাট সদর উপজেলায়। উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে। স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও এমবিএ ডিগ্রি রয়েছে তার।
১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়ে প্রথম দফায় তিনি চাকরি হারান। এরপর আইনি মোকাবিলায় বিএনপি ক্ষমতায় এলে আবারও চাকরিতে ফেরেন। এরপর আবার আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২২ সালে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আইনি প্রক্রিয়ায় এসপি পদমর্যাদায় চাকরি ফিরে পান আলী হোসেন ফকির। এরপর সুপার নিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি।
পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তিনি পুলিশ সদর দপ্তরে উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া স্পেশাল প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন), রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) সিলেটের কমান্ড্যান্ট এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের খুলনা-৩, ঢাকা-৫ ও সিলেট-৭ ইউনিটের অধিনায়ক হিসেবে কাজ করেছেন।
মাঠপর্যায়ে নেত্রকোনা, ফেনী ও মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে আছেন।
বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধিত্ব করে কসোভো ও আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
আলী হোসেন ফকিরের সহধর্মিণী অধ্যাপক নাসিমা ফেরদৌসী সরকারি তিতুমীর কলেজের ফিন্যান্স বিভাগের প্রধান। এই দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
