মুজিব হলের নাম শহীদ ওসমান হাদি হল করার সুপারিশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ■

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম শহীদ ওসমান হাদি হল এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল করার সুপারিশ করা হয়েছে।

দুই দলের নাম পরিবর্তনের জন্য উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছিলেন ডাকসু নেতারা।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সিন্ডিকেট সভায় ডাকসুর নেতাদের দাবি অনুযায়ী হল দুটির নাম পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আওয়ামী লীগপন্থী চার শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেন বহিষ্কার করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে সিন্ডিকেটে। একই সঙ্গে দুই শিক্ষককে সতর্ক করার সিদ্ধান্তও হয়েছে।

যে চার শিক্ষককে শোকজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে তাঁরা হলেন অধ্যাপক জিনাত হুদা, অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন, অধ্যাপক সাদেকা হালিম ও অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান। আর যে দুই শিক্ষককে সতর্ক করা হয়েছে তাঁরা হলেন অধ্যাপক মাহমুদা খাতুন ও অধ্যাপক মো. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চার শিক্ষকের ‌বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চার্জশিট গঠন এবং কেন তাঁদের বহিষ্কার করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে দুটি হলের নাম পরিবর্তন করতেও সিনেটে সুপারিশ করা হয়েছে।

ঢাবির ৪ শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য চার্জ গঠন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া, আন্দোলনে যেতে বাধা প্রদান, হুমকি এবং ছাত্রলীগকে আন্দোলনকারীদের তথ্য সরবরাহের অভিযোগে চার্জ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেন বহিষ্কার করা হবে না— এ মর্মে শোকজ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ২১ ডিসেম্বর ডাকসু শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচ স্থাপনা পরিবর্তনের দাবিতে উপাচার্যের অফিসের মূল ফটক আটকে বিক্ষোভ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানে বিরোধিতাকারী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিও জানান তারা।

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *