■ নাগরিক নিউজ ডেস্ক ■
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জীবিত আছেন বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার জানামতে, তাঁরা এখনো জীবিত আছেন।’
ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো দাবি করেছিল, সকালে চালানো হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সম্ভবত নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের চ্যানেল১২ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছিল, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর বিষয়ে ‘ইঙ্গিত’ পাওয়া যাচ্ছে। তবে আরাগচি এই দাবি নাকচ করে দিয়ে জানান, প্রায় সব উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বর্তমানে নিরাপদ এবং যাঁর যাঁর অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন।
ইসরায়েলি ও মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, তাঁদের অভিযানের অন্যতম লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব। এমনকি তেহরানে খামেনির দপ্তরের চত্বরে হামলার বিষয়ে স্যাটেলাইট ছবিতেও ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ মিলেছে। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার আগেই খামেনিকে তেহরান থেকে একটি অত্যন্ত নিরাপদ ও গোপন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। প্রেসিডেন্টের ছেলে ইউসুফ পেজেশকিয়ানও নিশ্চিত করেছেন, তাঁর বাবাকে লক্ষ্য করে চালানো ‘হত্যার চেষ্টা’ ব্যর্থ হয়েছে।
তবে এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাগচি স্বীকার করেছেন, ‘আমরা হয়তো ‘‘এক বা দুজন’’ কমান্ডারকে হারিয়েছি।’ তিনি এই হামলাকে ‘সম্পূর্ণ উসকানিমূলক ও অবৈধ’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে তেহরান উত্তেজনা কমাতে আগ্রহী জানিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে কূটনৈতিক চ্যানেলে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।
