■ নাগরিক প্রতিবেদক ■
দেশের আকাশে শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে, আগামীকাল মঙ্গলবার রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। আগামী বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিনগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।
সোমবার সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন।
শাবান মাসের ১৫তম রাতে (১৪ শাবান দিবাগত রাত) লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত পালিত হয়। শবে বরাতের পরদিন দেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি। এবার এ ছুটি পড়েছে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪৪৭ হিজরি সনের শাবান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়গুলো, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. নিজামুল কবীর, উপ-ওয়াক্ফ প্রশাসক মো. আকবর হোসেন, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ওবায়দুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর মাওলানা সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাত হচ্ছে হিজরি শা’বান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাতে পালিত মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ রাত। উপমহাদেশে এই রাতকে শবে বরাত বলা হয়। ইসলামি বিশ্বাস মতে, এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষভাবে ক্ষমা করেন। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের অনেক মুসলমান নফল ইবাদাতের মাধ্যমে শবে বরাত পালন করেন। অনেক অঞ্চলে, এই রাতে তাঁদের মৃত পূর্বপুরুষদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। বারো শিয়া মুসলিমরা, এই তারিখে মুহাম্মদ আল-মাহদির জন্মদিন উদ্যাপন করে। তবে সালাফিরা এর বিরোধিতা করে থাকেন।
