নান্দনিক প্রচ্ছদের কারিগর নিয়াজ আহমেদ অংশু

নান্দনিক প্রচ্ছদের কারিগর নিয়াজ আহমেদ অংশু

:: ফজলে এলাহী ::

নান্দনিক প্রচ্ছদের কারিগর নিয়াজ আহমেদ অংশু নামটি নিশ্চয়ই আমার সমবয়সী বাংলা গানের শ্রোতাদের মনে আছে। এই নামটি কারো ভুলে যাওয়ার কথা নয় । বহু শ্রোতাপ্রিয় গান ও অ্যালবামের সাথে এই নামটি জড়িয়ে আছে। ৯০ দশকের বাংলা গানের সোনালি প্রজন্মের অন্যতম সেরা একজন মেধাবীর নাম নিয়াজ আহমেদ অংশু।

বাংলা গানের সেরা ও শ্রেষ্ঠ একটি সময় ছিল আমাদের ফেলে আসা ৯০ দশক । সেই সময়ে বাংলা ব্যান্ড ও আধুনিক গান ছিল জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। সেই সেরা সময়ে আমরা পেয়েছিলাম একঝাক মেধাবী তরুন যারা আমাদের বাংলা ব্যান্ড ও আধুনিক গানকে করেছিলেন সমৃদ্ধ। তাদের দুর্দান্ত সব সৃষ্টির কারনে সেই সময় হিন্দি গানের আগ্রাসন ঠেকানো গিয়েছিল । বাংলা অডিও ক্যাসেট কেনার ধুম পড়েছিল। একদিন বাজারে প্রকাশ হলো বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতের কিংবদন্তী আইয়ুব বাচ্চুর একক অ্যালবাম’কষ্ট’ । যে অ্যালবামটি বাজারে ঝড় তুলেছিল । সেই অ্যালবামের নান্দনিক প্রচ্ছদ করেন নিয়াজ আহমেদ অংশু নামের এক তরুন আর এভাবেই প্রথম শ্রোতারা নিয়াজ আহমেদ অংশু নামটির সাথে পরিচিত হোন।

এরপর একে একে এলআরবি’র ‘স্বপ্ন’, ‘ফেরারি মন’ ,’আমাদের বিস্ময়’, জেমস এর ‘ দুখিনি দুঃখ করোনা’ সহ অসংখ্য ঝড় তোলা অ্যালবামের প্রচ্ছদ ডিজাইনার হিসেবে নিয়াজ আহমেদ অংশু কে আমরা পাই। অ্যালবামের প্রচ্ছদ ডিজাইন যে একটি শিল্প তা বুঝতে শিখি আমরা অংশু ভাইয়ের কাছ থেকে। এরমধ্য ১৯৯৫ সালের একদিন বাজারে এলো আইয়ুব বাচ্চুর সুর ও সঙ্গীতে মিক্সড অ্যালবাম ‘তারা ভরা রাতে’ যা প্রকাশের পরপরই সুপারডুপার হিট । সেই অ্যালবামের বাচ্চু ভাইয়ের ‘তারা ভরা রাতে’ গানটি তো রীতিমতো ব্যান্ড সঙ্গীতের কালজয়ী গানের তালিকা ঠাই করে নেয়। একই অ্যালবামে বাচ্চু ভাইয়ের গাওয়া ‘ আঁধারে ছিলাম এই আমি’ শিরোনামের চমৎকার কথার মন ঠাণ্ডা করা একটি চমৎকার গান । এমন সুন্দর গান কে লিখেছে খুঁজতে গিয়ে বিস্মিত হলাম । একি ? এতো দেখছি সেই প্রচ্ছদ ডিজাইনার ‘নিয়াজ আহমেদ অংশু ‘র নাম ! সেই প্রথম জানতে পারলাম আমরা অংশু ভাই গানও লিখতে পারেন । ঐ গানটিই ছিল অংশু ভাইয়ের লিখা প্রথম গান । প্রচ্চদ ডিজাইনার অংশু আর গীতিকার অংশু দুটোই অসাধারন । গীতিকার হিসেবে তিনি যে কতটা অসাধারন তা তাঁর গানের কথাগুলো শুনলে বুঝতে পারবেন। ঝড় তোলা ‘ক্যাপসুল ৫০০ ‘ অ্যালবামে ফিলিংসের ‘তোমার নিসিদ্ধ ইতিহাস ‘ ও এলআরবি ‘র ‘ ‘আবেগগুলো খরচ করো সাবধানে ‘ গান দুটো তো ভিন্নধর্মী কথার দুর্দান্ত দুটো গান হিসেবে সেই সময় শ্রোতাদের মুখে মুখে ছিল । অংশু ভাইয়ের গানগুলোর কথা যদি খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন তিনি প্রকৃতি ও মানুষের অনুভূতির মদ্ধে অসাধারন ভাবে একটি যোগসূত্র তৈরি করেছেন । ‘বুকের ভেতর কাঁদে অনেক চেনা কেউ/ শ্যাওলা পুকুর জলে ছোট্ট একটা ঢেউ ‘ ‘ যদি মেঘ আর বৃষ্টি একাকার হয়ে যায়/ যদি জোছনায় ভিজে ভিজে তারারা ফিরে যায়/ বুঝে নিও তুমি এখনও কেউ তোমাকেই চায় ‘ গানগুলো তারই প্রমান দেয় । আবার আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠে ‘ সে তোমার জানার কথা নয়/ কখন আমি হাসি / সে তোমার জানার কথা নয় / কখন আমি কাঁদি ‘ কিংবা ‘ মেয়ে তুমি কি দুঃখ চেনো ? নাকি চেনো না/ তবে চিনবে কেমন করে এই আমাকে’? গানগুলো পোড়ামনের ক্ষোভ, আকুতি অসাধারন ভাবে ফুটে উঠে । প্রচ্ছদ ডিজাইন বা গান লিখা দুটোতেই অংশু সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ,সবার থেকে আলাদা একজন। অংশুর লিখা গানগুলোর মাঝে কেমন যেন একটা হাহাকার লক্ষ্য করা যায়। তাঁর অধিকাংশ গানগুলোই শুনতে শুনতে আনমনা করে দেয় । নিয়াজ আহমেদ অংশুকে জানতে হলে , চিনতে হলে তাঁর সৃষ্টিগুলো সম্পর্কে জানতে হবে, চিনতে হবে। ব্যান্ডের গান কিংবা আধুনিক গান দুটোতেই অংশু ছিলেন দারুন । এইরকম একজন অসাধারন সৃষ্টিশীল তরুনের বড় অভাব আজ আমাদের সঙ্গীত জগতে।

বাংলা অডিও যুগের সেরা ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবাম ধুন’ এর নামটিও নিয়াজ আহমেদ অংশুর দেয়া। এরকম অসংখ্য সেরা সব কাজের সাথে জড়িয়ে আছে নিয়াজ আহমেদ অংশু নামটি। বাচ্চু, মাকসুদ, জেমস,হাসান, নাসিম আলী, নীলয়, এস আই টুটুল, আগুন রেশাদ, জুয়েল সহ জনপ্রিয় শিল্পীরা যেমন অংশুর লিখা গান গেয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তাকে উচুতে নিয়েছেন তেমনি ঝলক, পিয়াস, দূরে, কানিজ সুবর্ণা র মতো নতুন শিল্পীরা অংশুর লিখা গান গেয়ে হয়েছে জনপ্রিয় ও শ্রোতাপ্রিয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে অংশু কিন্তু সুরকার হিসেবেও দারুন কিন্তু একটি অ্যালবাম ছাড়া অংশুকে আর কোথাও আমরা সুরকার হিসেবে পাইনি। আধুনিক ফোক ধারার জনপ্রিয় মিক্সড অ্যালবাম ‘দাড়ারে’ অ্যালবামটির সবগুলো গান লিখেছেন ও সুর করেছেন নিয়াজ আহমেদ অংশু। সেই অ্যালবামটি শ্রোতাদের কাছে দারুন জনপ্রিয় হয়েছিল অথচ এরপর কেন অংশু আর গানে সুর দেয়নি তা রীতিমতো একটি রহস্য শ্রোতাদের কাছে। অংশু আমাদের সোনালী সেই দিনগুলোর সোনালী মানুষগুলোর মধ্যে সেরা একজন এ নিয়ে কারো কোন দ্বিমত নেই ।

এবার আসুন অডিও অ্যালবাম এর প্রচ্ছদ অলংকরন অংশুর কথায় । প্রথম প্রচ্ছদ আইয়ুব বাচ্চুর সাড়া জাগানো অ্যালবাম কষ্ট। কষ্ট অ্যালবাম এর প্রচ্ছদটার কথা একটু চিন্তা করুন । সাদা রঙের প্রচ্ছদের মাঝখানে একটি সোফায় গা হেলিয়ে শুয়ে আছেন আইয়ুব বাচ্চু যেন বিষাদগ্রস্থ একজন মানুষ। অ্যালবামের প্রচ্ছদে প্রকাশ পায় একটা কষ্ট কষ্ট ভাব । ঠিক একই রকম এলআরবির & স্বপ্ন ; অ্যালবাম এর প্রচ্ছদ দেখুন , হলুদ রঙের পৃষ্ঠায় নগ্ন একটি শিশু সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে যাকে ধরা হয়েছে মানুষের স্বপ্ন বা আকাঙ্ক্ষা রুপে ।এমনই সব দারুন দারুন নান্দনিক অ্যালবাম প্রচ্ছদ আমাদের উপহার দিয়েছেন নিয়াজ আহমেদ অংশু। অডিও অ্যালবাম এর প্রচ্ছদ অলংকরন যে একটি শিল্প তা প্রথম আমরা বুঝতে শিখি নিয়াজ আহমেদ অংশুর কাছ থেকে। গান বা অ্যালবাম প্রচ্ছদ দুটোতেই অংশু ছিলেন আলাদা ও সতন্ত্র একজন। যে কারনে সেই সময়ের শ্রোতারা নিয়াজ আহমেদ অংশুকে নাম দিয়েছিলক্লাসিক অংশু।

আজ অংশুর লিখা কোন নতুন গান আমরা পাইনা এ যেন আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য অনেক হতাশাজনক প্রাপ্তির মধ্যে অন্যতম একটি। গত ১২ বছরে বাংলা গানে অনেক গীতিকার এসেছেন কিন্তু নিয়াজ আহমেদ অংশুর মতো একজন অসাধারন গীতিকার কি আমরা পেয়েছি? আমার কথা বিশ্বাস না হলে অংশুর লিখা গানগুলো শুনে দেখে ভাবুন তো কথাটা কি আমি ভুল বলেছি?
একনজরে নিয়াজ আহমেদ অংশুর সৃষ্টিগুলো এলআরবির আইয়ুব  বাচ্চুর জন্য গান ।

অ্যালবাম

স্বপ্ন: জন্মহীন নক্ষত্র, গল্প শেষে অ্যালবাম – আমাদের বিস্ময়: খুব সহজে, একটি সাকো, এই রোদ্দুর জানেনা, ষোলো আনা, সুইসাইড নোট, জল জোছনা অ্যালবাম – অচেনা জীবন: স্বেচ্ছাচারী, মানুষ বলে মানুষ চিনে, এক বিকেলের মেয়ে, মিথ্যের বাদশা, একবার অ্যালবাম – মনে আছে নাই নাই: তোমাকে অ্যালবাম – যুদ্ধ: যে চলে যায় যাবার আগে আইয়ুব বাচ্চু অ্যালবাম – সময় ঃ চৌদ্দপুরুষের ভূমিদাস, আকাশ কাদে বাতাস কাদে, শেষ, সব আলো নিভিয়ে দিয়ে, বৃষ্টি, ভাড়া খাটা গিটারের ভাড়াটে প্রেমিক অ্যালবাম – একা: এক নিম্নবিত্ত পিতার প্রার্থনা অ্যালবাম – রিমঝিম বৃষ্টি: বিরান শহর, ও পাখি অ্যালবাম – প্রেম প্রেমের মত: কাল ছিল বর্ষা কাল এখনো কেউ তোমাকেই চাই (মিক্সড অ্যালবাম ‘ব্যথা’)সে তোমার জানার কথা নয় ( মিক্সড অ্যালবাম তারকা মেলা) ধুলোমাখা পথ (অ্যালবাম: বহুরুপি)
তোমাকে ডেকে ডেকে (অ্যালবাম: একটি গোলাপ) রুপালি চাঁদ, অলিক আকাশ
মেয়ে (অ্যালবাম: মেয়ে)
পথ থেকে পথে (অ্যালবাম: আড্ডা)
তোমাকে ভালোবেসে (অ্যালবাম: ভালবাসা)
“আবেগগুলো খরচ করো সাবধানে” (কাপ্সুল ৫০০)

ফিডব্যাকের এ্যালবাম

বন্ধুর খোজে জোছনায় ( ফিডব্যাক ০২)
এই মন মানেনা তো মানা ( ফিডব্যাক ০২)
কাদা-মাটি ( ফিডব্যাক ০২)
মন-মুনিয়া ( ফিডব্যাক ০২)
স্বাধীনতা – এক দুই তিন, তেপান্তরের মাঠে, সূর্য ছোঁয়ে বলি ( কারবালা )
আশিকুজ্জামান টুলু – “কোন খেয়ালে”, “চোর”, “উদাসী আঙ্গুল’’ ( কোন খেয়ালে)
ফিলিংস – ” তোমার নিষিদ্ধ ইতিহাস” (কাপ্সুল ৫০০)
ছেড়া খুজছি তোমায়, অন্ধের চোখে দেখছো টা কি ( ফেইথ, অ্যালবাম; নাটাই )

আজম খানঃ পুড়ে যাচ্ছে পুড়ে যায়, ঘরবিবাগী, রোদের কাছে ফেরা, এই দেশে (অ্যালবাম: পুড়ে যাচ্ছে পুড়ে যায়)

জুয়েল: আমার আপন আধার অযতন, সবুজ মৌনতা , একই রাত্রি একই অভিমান

কানিজ সুবর্ণার অ্যালবাম: কানিজ – জামদানি আচল, উরালিয়া, কন্যা কাব্য, ছোট্ট পরী, দস্যি মেয়ে, হৃদয়ের একলা বন্দরে, মন গেছে সন্যাসে, পাতায় পাতায়, যার খোজে নাটাই-ছেড়া, ভুলের মাশুল, রোদেলা ওড়না।

বৃষ্টির ঘ্রাণ (কানিজ সুবর্ণা, অ্যালবাম: ভালবাসা মানে)

দুরের অ্যালবাম: মেঘবালিকা – মেঘবালিকা, আপনপর, ভালবাসার কথা উড়ে ঝড়ে, কোনদিন তুমি পাবেনা আমাকে,

মিক্সড এ্যালবাম তুমিহীনা সারাবেলা – এই নদী জল কোলাহল (ঝলক), এ শহর ডুবে যায়(নিলয়), মুঠোভরা স্নিগ্ধতা(নাসিম আলী খান), খেয়ালী আলাপন (নাসিম আলী খান)
অ্যালবাম: রাজকুমারী – দু:খতে কেন দুঃখতে টা, এই পূর্নিমা, ডুবে রাত ডুবে চাঁদ , ভয় কিসের হৃদি, চিঠি লেখালেখি, কোথায় যাবে ( সহ গীতিকার বাপ্পি খান), যে যায় চলে যায়,
অ্যালবাম ময়ুরী: ফিরে যায় পরিচিতা, অধরা, মনের নিয়ম, এই সময় ,অনেক চেনা ঢেউ, স্বান্তনা, আশার আলোয়

“দাড়া রে” অ্যালবাম এর সব গান ( অ্যালবামটির সবগুলো গানের সুর করেছিলেন অংশু)

এক আকাশের নীচে ( টুটুল) (অ্যালবাম: একটি গোলাপ)

রুপালি চাঁদ, অলিক আকাশ (আইয়ুব বাচ্চু) মেয়ে (আইয়ুব বাচ্চু) (অ্যালবাম: মেয়ে) পথ থেকে পথে (আইয়ুব বাচ্চু)(অ্যালবাম: আড্ডা) তোমাকে ভালোবেসে (আইয়ুব বাচ্চু) (অ্যালবাম: ভালবাসা)

অ্যালবাম কভার:
আইয়ুব বাচ্চু ও এল আর বি: স্বপ্ন, ফেরারী মন, আমাদের বিস্ময়, মন চাইলে মন পাবে, অচেনা জীবন,

জেমস, ফিলিংস ও নগর বাউল: নগর বাউল, দুখিনি দুঃখ করনা, দুষ্টু ছেলের দোল, আমি তোমাদেরই লোক

মিক্সড: স্ক্রু ড্রাইভার, কাপ্সুল ৫০০, তারাভরা রাতে, তুমিহীনা সারাবেলা, রাজকুমারী, ময়ুরী, টোন এন্ড টিউন, বারোমাস, মেয়ে, সীমানা, ১০ এ ১০, একটি গোলাপ, আষার শ্রাবণ, এখনো দু’ চোখে বন্যা, শেষ দেখা, ভাঙ্গা মন, হারজিত, দেয়াল, চিঠির উত্তর দিও, দাগ থেকে যায়, দেশে ভালবাসা নাই, ছাড়পত্র, প্রজন্ম,

ব্যান্ড: স্বাধীনতা(অ্যালবাম: কারবালা) ফিডব্যাক (ফিডব্যাক ০২) দলছুট (হৃদয়পুর) অর্থহীন (বিবর্তন )

একক অ্যালবাম : আজম খান(পুড়ে যাচ্ছে পুড়ে যায়) কানিজ (ভালবাসা মানে, রং, কানিজ) বাপ্পা ( রাতের ট্রেন, ধুলোপড়া চিঠি) অঞ্জন দত্ত (হ্যালো বাংলাদেশ) সুমন ( স্বপ্নগুলো তোমার মত)

অংশুর লিখা কিছু গানের লিংক –
পথ থেকে পথে (আইয়ুব বাচ্চু -আড্ডা) – https://app.box.com/s/3c3feb953565feb8becf

তোমাকে ডেকে ( আইয়ুব- একটি গোলাপ)- https://app.box.com/s/1b05b8b8eb81a5cdf500

রূপালি চাঁদ ( আইয়ুব বাচ্চু) – https://app.box.com/s/502bed4ae888b3d36388

বুঝে নিও তুমি শুধু ( আইয়ুব বাচ্চু – ব্যথা)- https://app.box.com/s/7bblni5jc2pmrg76pss2

সে তোমার জানার কথা নয় ( আইয়ুব বাচ্চু- তারকা মেলা)- https://app.box.com/s/19f30801afb7d3ce375a

বুকের মাজার (জুয়েল – দাঁড়া রে ) – https://app.box.com/s/bc7d24c986405763fef0

আগুনে পুড়াই ( জুয়েল- দাঁড়া রে) – https://app.box.com/s/21fd193e795a2591c7c7

ছোট্ট একটা ঢেউ ( জুয়েল – ময়ূরী) – https://app.box.com/s/jmlymfct7e5df74zjnri

বন্ধুর খোঁজে জোছনায় ( ফিডব্যাক ) – https://app.box.com/s/1u9fc65gd1sjvj1l1vtm

নদীর জল ছুঁয়ে ( ঝলক – তুমিহিনা সারাবেলা)- https://app.box.com/s/asqjdv07xb8nux48s3kg

দুঃখতে কেন দুখটা ( আগুন – রাজকুমারি )- https://app.box.com/s/fkco1btnnvdlnmc3i3u3

কোথায় যাবে – ( পলাশ – রাজকুমারি) – https://app.box.com/s/30loryekana6jyeq4tkn
চিথি লিখালিখি নেই আগের মতন (টুটুল – রাজকুমারী) – https://app.box.com/s/r6r7ru6elkbz87875jlu

মুঠো ভরা স্নিগ্ধতা ( নাসিম আলী – তুমিহিনা সারাবেলা) – https://app.box.com/s/c6f2fc811be20fa1fdf0

*পড়শি ( হাসান – দাঁড়া রে) – https://app.box.com/s/57lsxt05k8rfhr5c2npi

সবুজ মৌনতা ( জুয়েল – দেখা হবে না) – https://app.box.com/s/b595e53bd7e1776eb2cf

মেঘবালিকা ( দূরে – মেঘবালিকা) – https://app.box.com/s/j3sdrrii32p7bbce998n

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *