দেশের প্রথম নারী অর্থসচিব ফাতিমা ইয়াসমিন

:: নাগরিক প্রতিবেদন ::

দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে অর্থসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন ফাতিমা ইয়াসমিন।

২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব হিসেবে যোগদান করেন তিনি। ইআরডিরও প্রথম নারী সচিব ছিলেন ফাতিমা ইয়াসমিন ।

বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।ফাতিমা ইয়াসমিন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদারের স্থলাভিষিক্ত হবেন। অর্থসচিব আব্দুর রউফ তালুকদারকে গত ১১ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক ফাইন্যান্সের (আইপিএফ) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনকে অর্থসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। আগামী ১১ জুলাই থেকে অর্থসচিব হিসেবে তার নিয়োগ কার্যকর হবে। ফাতিমা ইয়াসমিন বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের নবম ব্যাচের কর্মকর্তা।

১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন ফাতিমা ইয়াসমিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা।

এ ছাড়া ফাতিমা ইয়াসমিন যুক্তরাষ্ট্রের রাটগার্স ইউনিভার্সিটিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের হুবার্ট এইচ হামফ্রে পাবলিক পলিসি ফেলো ছিলেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জন এফ কেনেডি স্কুল অফ গভর্নমেন্ট থেকে লিডিং সাকসেসফুল প্রোগ্রামের এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছেন তিনি।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের রাটগার্স ইউনিভার্সিটিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের হুবার্ট এইচ. হামফ্রে পাবলিক পলিসি ফেলো

অন্যদিকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) শরিফা খানকে ইআরডি-সচিব করা হয়েছে। তিনিও ১১ জুলাই থেকে নতুন এই পদে যোগ দেবেন।

ইআরডির নতুন সচিব শরিফা খানও বিসিএসের ১৯৯১ ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়, বিপিএটিসি, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ঢাকা, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা সেল এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

শরিফা ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনে কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের ৯ ফেব্রুারি থেকে তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *