■ নাগরিক প্রতিবেদন ■
দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বুধবার (২৫ মার্চ) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে। শিগগিরই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
গত ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ওই সময় থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি শূন্য রয়েছে।
রুহুল কুদ্দুস কাজল পদত্যাগ করা অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। তিনি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন।
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান।
তিনি বিএনপিসমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের একজন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিএনপির আইনি সহায়তা সাব-কমিটির টিম লিডার হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে আইন পেশা ও আইনি সংস্কার নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি উচ্চ আদালতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করে থাকেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র ব্যারিস্টার কাজল ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য হন। এছাড়া তিনি কিছুদিন সাংবাদিকতাও করেছিলেন।
২০০৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ২০২৩ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হন।
রুহুল কুদ্দুস বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ২০০৩ থেকে ২০০৬ মেয়াদে কর্মরত ছিলেন।
ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রুহুল কুদ্দুস। তিনি ১৯৯৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স), ১৯৯৪ সালে এলএলএম করেন। ২০০৫ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন। ২০০৬ সালে লন্ডনের সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন। ২০০৬ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার অ্যাট ল সনদ অর্জন করেন।
