✍︎ নাগরিক নিউজ ডেস্ক ✍︎
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সংসদ ভবন অভিমুখে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে। একই সঙ্গে সংসদ ভবন এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে যন্তর মন্তর এলাকা থেকে সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (র্যাফ) মোতায়েন করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে অনেকে সড়কে বসে অবস্থান নেন।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে আন্দোলনের ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে। এছাড়া সেখানে সিগন্যাল জ্যামার ব্যবহারের কারণেও মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ তাদের। তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবনের বিভিন্ন প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে গিয়ে কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে দিল্লি পুলিশ জানায়, সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও সকাল থেকে যন্তর মন্তর এলাকায় বিপুলসংখ্যক সমর্থক জড়ো হন। পরে তারা সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ককরোচ প্রধান অভিজিৎ দীপকেকে আটক করা হয়নি
ভারতে তরুণদের আলোচিত ‘ককরোচ মুভমেন্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার গ্রেফতারের গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর সংগঠনটির পাশাপাশি দিল্লি পুলিশও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে আন্দোলনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, অভিজিৎ দীপ বর্তমানে আটক বা গ্রেফতার অবস্থায় নেই।
এর আগে একই আন্দোলনের পক্ষ থেকেই দাবি করা হয়েছিল, পুলিশ অভিজিৎ দীপকেকে তুলে নিয়ে গেছে। তবে পরবর্তী বিবৃতিতে সেই অবস্থান সংশোধন করে জানানো হয়, তাকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি।
এদিকে, আগের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংশোধনী এনে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আন্দোলনের সর্বশেষ বক্তব্য অনুযায়ী অভিজিৎ দীপকে আটক বা গ্রেফতার অবস্থায় নেই।
