চীনের জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ

✍︎ নাগরিক প্রতিবেদক ✍︎

বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চীনের তৈরি বিভিন্ন মডেলের চতুর্থ প্রজন্মের এমআরসিএ ফাইটার এয়ারক্রাফট, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম—কেনার প্রক্রিয়া চলমান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘এই অর্থবছরে বাজেট পাওয়া গেলে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তা সম্ভব না হলে পরবর্তী বাজেটে চলে যাবে।’

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের সমসাময়িক কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন তিনি।

জে-১০ সিই ফাইটার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে একটা রিয়েল এক্সপেরিয়েন্স আছে কমব্যাট সিচুয়েশনে। ভারত-পাকিস্তানে যখন যুদ্ধ হচ্ছে, ভারতের রাফাল ডাউন হয়েছিল, সেটা করেছিল চায়নিজ জে-১০। এই তথ্য এখন প্রতিষ্ঠিত। সুতরাং চায়নার তৈরি একটা মাল্টিরোল ফাইটার, এখন রাফালকে বলা হয় ৪.৫ জেনারেশনের সবচেয়ে আধুনিক ফাইটারগুলোর একটা। তার সঙ্গে কমব্যাট সিচুয়েশনে খুবই ভালো করেছে। সে কারণে বাংলাদেশ সেদিকে মনোযোগ দিয়েছে এবং আমরা এই পথে খুব ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছি।’

‘সিমিলার কোয়ালিটির রাফাল বলি বা ইউরো ফাইটার টাইফুন বলি, ইউরোপিয়ান ভেরিয়েন্টের—তার তুলনায় চায়নিজ ফাইটারগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম। আশা করি, আমাদের সরকার জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সব রকমের পদক্ষেপ নেবে’, যোগ করেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতার কথা বলি, বলা হয় বাংলাদেশ নতুনভাবে স্বাধীন হয়েছে। প্রথম স্বাধীনতার সঙ্গে এটার কোনো তুলনাই নেই। এ বিষয়ে আমরা কোনো কনফিউশন রাখব না। তারপরও আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলি—কারণ বাংলাদেশ বৈদাশিক নীতি-সামরিক নীতিতে কৌশলগতভাবে তার স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে পারত না। আমরা জে-১০ ফাইটার কিনব বা এ বিষয়ে কোনো আলোচনা করব, এটা ৫ আগস্ট পূর্ববর্তী সময় সম্ভব ছিল না। এ কারণেই আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতার কথা বলি।

এর আগে, গত বছরের মার্চে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফরের সময় চীনের কাছ থেকে মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফটকেনার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার বিষয়টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *