বাংলাদেশে পুনরায় বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছে নেপাল

✍︎ নাগরিক প্রতিবেদন ✍︎

বন্যায় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি পুনরায় শুরু করেছে নেপাল। 

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, ‘শুক্রবার ভারতের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে নেপাল।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশে মৌসুমি বিদ্যুৎ রপ্তানির জন্য নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) ও বাবিউবো ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর পাঁচ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি সই করে।

এনইএ’র নির্বাহী পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ দ্য কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সঞ্চালন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও বিকল্প জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ রপ্তানি অব্যাহত রাখা এবং বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি পুনরায় শুরু করা- দুটিই নেপালের বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

তিনি বলেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিকল্প জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহের অনুমোদন দেওয়ার পর রপ্তানি পুনরায় শুরু হয়।

এর আগে, গত ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদীতে ভয়াবহ বন্যায় ত্রিশূলী ও চিলিমে জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ দুটি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদন ছিল। কেন্দ্র দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি স্থগিত করা হয়।

সংশোধিত ব্যবস্থার আওতায় সোলু খোলা ও কাবেলি বি-১ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর সই হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, নেপাল প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে দৈনিক ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

বর্ষা মৌসুমে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পর উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানি করে নেপাল।

২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর সই হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, নেপাল প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে দৈনিক ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

বর্ষা মৌসুমে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পর উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানি করে নেপাল।

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *