টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান

𓂃✍︎  নাগরিক প্রতিবেদক 𓂃✍︎ 

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন। নিউইয়র্কভিত্তিক টাইম ম্যাগাজিন বুধবার এ তালিকা প্রকাশ করে।

তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, পোপ লিও চতুর্দশ, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিসহ বিভিন্ন খ্যাতিমান ব্যক্তি স্থান পেয়েছেন।

প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় লিডারস ক্যাটাগরিতে আরও স্থান পেয়েছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, জাপানের সানায়ে তাকাইচি, ইসরায়েলের বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, নেপালের বালেন্দ্র শাহ, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন, নামিবিয়ার প্রেসিডেন্ট নেতুমবো নানদি, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।

‘লিডারস’ (নেতৃত্ব) ক্যাটাগরিতে এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তারেক রহমান।

টাইম ম্যাগাজিন প্রধানমন্ত্রীর প্রোফাইলে লিখেছে, কয়েক মাস আগেও দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন তারেক রহমান। কিন্তু ২০২৪ সালে স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন হলে তিনি বিরোধী আন্দোলনের নেতা থেকে সম্ভাব্য জাতীয় নেতায় পরিণত হন, ১৭ বছর মাতৃভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার পর ফেব্রুয়ারিতে বিপুল ভোটে জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সেই গন্তব্যে পৌঁছান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এ বিজয়ের মাধ্যমে তিনি তাঁর মা খালেদা জিয়ার পথ অনুসরণ করেন, যিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ঢাকায় তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের পাঁচ দিনের মাথায় মারা যান।

ম্যাগাজিনটি জানায়, জানুয়ারিতে টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, ব্যক্তিগত শোককে তিনি দেশের ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার কাজে নিয়োজিত করবেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণদের বেকারত্ব এবং আঞ্চলিক শক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি—এসব চ্যালেঞ্জ দ্রুত সমাধানের দাবি রাখে। এতে আরও বলা হয়, অতীতের দুর্নীতির অভিযোগের (যদিও আদালতে খারিজ হয়েছে) কারণে তাঁর ‘হানিমুন পিরিয়ড’ (তুলনামূলক কম প্রশ্ন ও জবাবদিহির মুখে থাকার সময়) অন্যদের তুলনায় সংক্ষিপ্ত হতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নির্বাসনের পর তিনি সময় নষ্ট করতে চান না।

তারেক রহমান টাইমকে বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে—যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার পায়।’

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *