ইলিয়াস আলীর গুমের বর্ণনা দিলেন সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস

✍︎ নাগরিক প্রতিবেদন ✍︎

আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তারই একসময়কার বডিগার্ড বা রানার সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস।

জবানবন্দিতে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর গুমের বর্ণনা তুলে ধরেছেন তিনি। এ সময় নিজের নিরপাত্তাও চেয়েছেন এ সেনাসদস্য।

বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আজ রোববার এই ৫ম সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এ সময় জিয়াউল আহসান ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। ইমরুল কায়েস বর্তমানে রংপুর সেনানিবাসে ওয়ারেন্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। 

জবানবন্দিতে ইমরুল বলেন, ‘২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল র‌্যাব হেডকোয়ার্টার থেকে মেজর জিয়াউল, মেজর নওশাদ, সাইফসহ মহাখালী ফ্লাইওভারের কাছে যাই। কে বা কাকে গাড়িতে তুলবে তা আমি জানতাম না। তবে গাড়িতে বসে জিয়াউল আহসান বিভিন্ন জায়গায় ফোন করছিলেন- টার্গেট কখন আসবেন। একপর্যায়ে জানা যায় টার্গেট আসবেন না। পরে সেখান থেকে জিয়াউল আহসানকে বাসায় নামিয়ে দেই। পরদিন সকালে আমি ৯ দিনের ছুটিতে বাড়ি যাই। ছুটিতে থাকাকালে ১৮ এপ্রিল বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে মহাখালী থেকে অপহরণ করা হয়।’
  
সাক্ষী ইমরুল কায়েস আরও বলেন, ‘এরপর ছুটি শেষে ২৩ এপ্রিল র‌্যাব হেডকোয়ার্টারের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ে যোগ দেই। যোগদানের পর কর্মস্থলে থমথমে পরিবেশ লক্ষ্য করি। এছাড়া সাধারণত প্রতিদিন সকাল ৯টায় রোল-কল হতো। কিন্তু ১৮ এপ্রিলের পর সকাল ৭টায় হয়েছিল। এভাবে বেশ কয়েকদিন সকালে আসতেন জিয়াউল আহসান।’ তিনি বলেন, ‘একদিন ফোনে কথা বলছিলেন জিয়াউল আহসান। এর মধ্যে তার আরেকটি ফোনে কল আসে। তখন জিয়া সার বলছিলেন—তুই রাখ। তারিক স্যার (সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী) ফোন দিয়েছেন।’

ফোনে জিয়াউল ও তারিক স্যারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয়—উল্লেখ করে সেনা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘একপর্যায়ে জিয়াউল স্যার বলে ওঠেন—আপনাদের কথামতো ইলিয়াস আলীকে গলফ (গুম) করলাম। এখন আপনারা এরকম করলে হবে? আমি কমান্ডো মানুষ। তাহলে পোস্টিং দিয়ে জঙ্গলে পাঠিয়ে দেন।’

এছাড়া ইলিয়াস আলীকে গুমের পর অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল র‌্যাব হেডকোয়ার্টারের বেশ কিছু সিসিটিভির ফুটেজ ধ্বংস করে ফেলেন বলেও জানান এ সাক্ষী। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি এক বছর তিন-চার মাস জিয়াউল আহসানের বডিগার্ড বা রানার ছিলাম। আমি সে সময় দেখেছি তিনি ওই সময়ে ১৫০/২০০ মানুষকে বিভিন্নভাবে হত্যা করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি সাক্ষ্য দিয়েছি। এখন আমি নিরাপত্তা চাই।’

ইমরুল কায়েস জবানবন্দিতে জানান, তিনি ২০০১ সালের ৫ এপ্রিল সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগ দেন। ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত র‍্যাব সদর দপ্তরে প্রেষণে কর্মরত ছিলেন। তাঁর ২০১০ সালের ১০ আগস্ট র‍্যাবে পোস্টিং হয়। জিয়াউল আহসানের রানার (দেহরক্ষী) থাকা অবস্থায় তাঁর কাজ ছিল সব সময় জিয়াউল আহসানের সঙ্গে থাকা। তাঁর সঙ্গে ইমরুল জাফলং বর্ডার, ডিজিএফআই অফিস, আর্মি সদর দপ্তর, ডিবিপ্রধানের কার্যালয় (তখন ডিবির প্রধান ছিলেন মনিরুল ইসলাম)—এসব স্থানে যেতেন। মাঝেমধ্যে সচিবালয়ে যেতেন। এ ছাড়া মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের (তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা) বাসায় যেতেন।

ইমরুল বলেন, তারিক আহমেদ সিদ্দিকের সঙ্গে জিয়াউলের ভালো সম্পর্ক ছিল। তাঁর প্রধানমন্ত্রীর (তৎকালীন) সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক ছিল। জিয়াউল যখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যেতেন, তখন তাঁর গাড়িতে অস্ত্র-গুলি থাকত। কিন্তু তা তল্লাশি করা হতো না। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, আমির হোসেন আমু ও জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গেও জিয়াউল আহসানের ভালো সম্পর্ক ছিল।

ইমরুল কায়েস জানান, তিনি রানার হিসেবে যোগদানের ২০-২৫ দিন পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে জিয়াউল আহসান তাঁকে ফোন করে র‍্যাব-১-এর সামনে যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে গাড়িতে ওঠার পর জিয়াউল আহসান তাঁকে বলেন, পেছনে একটি বস্তা আছে। বস্তাটি ফেলে দিতে হবে। ওই গাড়িতে র‍্যাব-১-এর সিও রাশেদ ও ক্যাপ্টেন কাউসার ছিলেন। তাঁরা র‍্যাব-১ থেকে বের হয়ে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ ওভারব্রিজের ওপর দিয়ে ডান দিকে মোড় নিয়ে রেলক্রসিংয়ে যান। তখন জিয়াউল আহসান বস্তা বের করতে বলেন ইমরুলকে। নামানোর পর দেখা যায়, বস্তায় ঠান্ডা একটি মরদেহ। পরে কয়েকজন ধরে মরদেহটি রেললাইনের ওপরে রাখেন। কিছুক্ষণ পর একটি ট্রেন চলে গেলে তাঁরাও চলে যান।

যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর
বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলীকে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান অপহরণ করেছিলেন, তা প্রমাণিত। তদন্ত ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ইলিয়াস আলীর অপহরণের ঘটনায় জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছে। আজ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।  

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত-বাংলাদেশজুড়ে ছিল। আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে আজ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন সেনা কর্মকর্তা। তার জবানবন্দি এখনও চলমান রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে একটি ছিল জিয়াউলের জাফলং অপারেশন’। অর্থাৎ র‌্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে জাফলংয়ে গিয়েছিলেন সাক্ষীসহ আরও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা। সেখানে যাওয়ার পর আরও দুজন আসামিকে নিয়ে আসেন ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকের কিছু লোকজন। এরপর এসব আসামিকে বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

সাক্ষীর বিবরণ দিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘ভারত থেকে আনা দুজনকে রাস্তায় মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেন জিয়াউল আহসান। এভাবেই তিনি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন।’
 
আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ‘বিডিআরের বিভিন্ন সদস্যকে ধরে এনে দুটো পদ্ধতিতে হত্যা করেছেন জিয়াউল আহসান। এর মধ্যে কাউকে ইনজেকশন পুশ করে, আবার কাউকে মাথায় গুলি ঠেকিয়ে হত্যার পর নদীতে ফেলে দিতেন। এই দুই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে তিনি হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সাক্ষী।’

সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গাজীপুরে তিনজনকে হত্যা ছাড়াও বরগুনার পাথরঘাটার চর দুয়ানিতে ৫০ জন হত্যা, বনদস্যু দমনের নামে সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে বেশ কয়েকজনকে হত্যার তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। 

সাজানো অভিযান

ইমরুল বলেন, কয়েকবার জিয়াউল আহসান সুন্দরবন অভিযানে যান। সঙ্গে ইমরুলকেও নেওয়া হয়। একবার তাঁদের সঙ্গে র‍্যাব-৮-এর সদস্যরাও ছিলেন। তাঁদের বোট (নৌযান) থামার পর জঙ্গলের ভেতর থেকে দুই-তিনটি গুলির শব্দ আসে। তখন নির্দেশ দেওয়া হলে তাঁরাও গুলি করেন। ভাটা থাকার কারণে কাদায় হাঁটু পর্যন্ত দেবে যাচ্ছিল। সেখানে জিয়াউল আহসান, র‍্যাবের এডিজি (অপস) মুজিব, কমান্ডার সোহায়েল এবং গণমাধ্যমের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জঙ্গলের ভেতরের দিকে গেলে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই থেকে তিনটি লাশ পড়ে আছে। এই অভিযান সাজানো মনে হয়েছিল ইমরুলের কাছে।

ইমরুল জানান, ২০১১ সালে রমজান মাসে এক দিন ইফতারের আগমুহূর্তে জিয়াউল আহসান ফোন দিয়ে ইমরুলকে ক্যামেরা নিয়ে উত্তরা নর্থ টাওয়ারে যেতে বলেন। তিনি গিয়ে দেখেন, চারজন লোককে ক্রসফায়ারে (কথিত বন্দুকযুদ্ধ) দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। যাঁরা ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। এটাও সাজানো ছিল।

১১ জনকে হত্যার বর্ণনা দিতে গিয়ে ইমরুল বলেন, ২০১২ সালে তিনটি মাইক্রোবাসে করে তাঁরা ১১ জন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে পোস্তগোলা আর্মি ক্যাম্প এলাকায় যান। সেখানে ১১ জনকে বোটে (নৌযান) ওঠানো হয়। ইমরুল কাছে গিয়ে দেখেন, এটি সেই বোট, যেটি সুন্দরবন অভিযানে জলদস্যুরা ব্যবহার করেছিল। বোটটি নদীর মাঝখানে নিয়ে আগের মতো এই ১১ জনকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। ওই অভিযানে জিয়াউল, মেজর নওশাদ, স্কোয়াড্রন লিডার সাইফ, কমান্ডার সোহায়েল ও এডিজি (অপস) মুজিব ছিলেন।

ইমরুল আরও বলেন, র‍্যাব-৪-এর সেফ হাউস থেকে দুজন আসামিকে দুটি মাইক্রোবাসে নেওয়া হয়। প্রায় আধা ঘণ্টা চলার পর গাড়িটি তিন মাথার মোড়ে এক জায়গায় থামানো হয়। একজন আসামিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে জিয়াউল আহসান তাঁর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যা করেন। ওই আসামির মাথায় অনেক চুল থাকার কারণে মাথায় আগুন ধরে গিয়েছিল। তাঁদের পাঠিয়ে দিয়ে জিয়াউল আহসান অপর আসামিকে নিয়ে চলে যান। জিয়াউল যখন র‍্যাব-৪-এ ফেরত আসেন, তখন ওই আসামি তাঁর সঙ্গে ছিলেন না। কিছু কিছু অভিযানে ইমরুলকে নিতেন না জিয়াউল।

গুলির পর লুঙ্গি খুলে পানিতে ফেলে দেওয়া

জবানবন্দিতে ইমরুল কায়েস জানান, জিয়াউল আহসান তাঁকে একবার ফোন করে র‍্যাব-১-এর সামনে গিয়ে মাইক্রোবাসে উঠতে বলেন। তিনি গাড়িতে গিয়ে মেজর নওশাদ ও দুজন আসামিকে জমটুপি পরা অবস্থায় দেখতে পান। কিছুক্ষণ পর জিয়াউল আহসান গাড়িতে এসে ওঠেন। তাঁরা টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার হয়ে কাঁচপুর ব্রিজের ওপরে গিয়ে দাঁড়ান। জিয়াউল একজন আসামিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে পরপর দুটি গুলি করেন। আর ব্রিজ থেকে ফেলে দেওয়ার সময় তাঁর লুঙ্গি খুলে দেন। একইভাবে মেজর নওশাদ অপরজনকে গুলি করে হত্যা করেন এবং লুঙ্গি খুলে পানিতে ফেলে দেন।

বলেশ্বর নদে হত্যা

ইমরুল জানান, তিনি বেশ কয়েকবার জিয়াউল আহসানের সঙ্গে বরিশালে গিয়েছেন। সেখানে র‍্যাব-৮-এর সহযোগিতায় পাথরঘাটায় চরদুয়ানি বাজার থেকে বলেশ্বর নদের ভেতরে সাগরের মোহনায় গিয়ে কখনো দুজন, কখনো তিনজন, কখনো চারজন টার্গেটকে (আসামি) হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে দেওয়া হতো। তাঁদের সিমেন্টের বস্তার সঙ্গে বেঁধে গুলি করে হত্যার পর নদীতে ফেলার আগে কমান্ডো নাইফ দিয়ে পেট চিরে ফেলা হতো।

টিএফআই সেল থেকে নিয়ে ভারতে হস্তান্তর

জবানবন্দিতে ইমরুল জানান, ২০১২ সালের মাঝামাঝি র‍্যাব-১-এর টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামি নিয়ে তাঁরা জিয়াউলের নেতৃত্বে জাফলং সীমান্তে যান। দুজন আসামিরই হাত বাঁধা ও মাথায় জমটুপি পরানো ছিল। রাত ২টার দিকে সেখানে পৌঁছালে ভারত থেকে দুজন আসামি নিয়ে সিভিল পোশাকে ৪-৫ জন লোক তাঁদের কাছে হস্তান্তর করেন। আর টিএফআই সেল থেকে নেওয়া দুজনকে ভারতীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ভারত থেকে প্রাপ্ত দুজনকে নিয়ে জিয়াউল আহসান ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। জাফলং সীমান্ত থেকে ২৫-৩০ কিলোমিটার আসার পর গাড়ি থেকে একজনকে নামানো হয় এবং জিয়াউল তাঁকে গুলি করে রাস্তার পাশে ফেলে দেন। অন্যজনকে আরও ১০-১৫ কিলোমিটার যাওয়ার পর একইভাবে গুলি করে ফেলে দেন জিয়াউল।

বিডিআর সদস্যদের হত্যা

ইমরুল কায়েস জানান, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর সারা দেশে ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’ নামে একটি অপারেশন পরিচালনা করা হয় পলাতক বিডিআর সদস্যদের ধরতে। ওই সময় জিয়াউল ৮-১০ জন বিডিআর সদস্যকে হত্যা করেন। তাঁদের ইনজেকশন পুশ করে এবং পোস্তগোলা ব্রিজের কাছে আর্মি ক্যাম্পের পাশে থাকা নদীতে নিয়ে সিমেন্ট ভরা দুই বস্তার সঙ্গে বেঁধে মাথায় গুলি করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

শেয়ার করতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *