✍︎ নাগরিক প্রতিবেদন ✍︎
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য হিসেবে প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। ফলে, তার শপথ নিতে বাধা নেই বলেও রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন।
জামায়াতের প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ শিশির মনির ও আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
গত ৩ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আদেশে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর অংশ নিতে পারবেন। তবে আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম-২ আসনের ফল প্রকাশ করা যাবে না।
নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ নুরুল আমিন পান ৬২ হাজার ১৬০ ভোট। কিন্তু আপিল বিভাগের নির্দেশনার কারণে নির্বাচন কমিশন ওই আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখে। ফলে সংসদ সদস্য হিসেবে তার শপথ গ্রহণও আটকে যায়।
পরবর্তীতে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ এবং শপথ গ্রহণের অনুমতি চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন সরোয়ার আলমগীর। সর্বশেষ হাইকোর্ট তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করায় শপথ গ্রহণের পথও উন্মুক্ত হলো।
লিভ টু আপিল মঞ্জুরের পর ৩১ মার্চ নিয়মিত আপিল করেন জামায়াতের প্রার্থী। ওই আপিলের ওপর শুনানি শেষে ১৬ জুন আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আপিল নিষ্পত্তি করে দেওয়া আদেশে আপিল বিভাগ দ্রুত, সম্ভব হলে দুই সপ্তাহের মধ্যে, হাইকোর্টকে রুল নিষ্পত্তি করতে বলেন। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের দেওয়া আদেশ বহাল থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
অর্থাৎ, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচনি ফলাফল (যতটুকু তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
আপিল বিভাগের আদেশের পর রিটটি চূড়ান্ত শুনানির জন্য ২১ জুন হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠে। সেদিন আদালত রুল শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। এর ধারাবাহিকতায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
